মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ৫টি সংসদীয় আসনের এমপিরা। সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদলের নেতা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার ৭ ফতুল্লায় মাদকসহ সাবেক এমপির গাড়িচালক রাজুকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী সিদ্ধিরগঞ্জে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিবিআটক মাদকে ছেঁয়ে গেছে আড়াইহাজার, নেপথ্যে বাকপ্রতিবন্ধী পরিচ্ছন্নতাকর্মী ববি বেগম হত্যা ও লুটের ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামি গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১।” সোনারগাঁয়ে ভয়াবহ ডাকাতির শিকার হয়েছেন পরিবারের সদস্যসহ জাপান প্রবাসী হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার স্বামীকে জবাই করে হত্যা ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছুড়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতির

শিহরণ জাগানো এই ঘটনায় উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর এক বাস্তবতা

নারায়ণগঞ্জ তালাশ ডেস্ক / ৪৩৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

  1. সিনেমার থ্রিলার কাহিনীকেও হার মানিয়েছে ফতুল্লা
    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিনেমার থ্রিলার কাহিনিকেও হার মানিয়েছে ফতুল্লার ব্যাংক কলোনী এলাকার শিশু হোসাইন হত্যাকান্ড। শিহরণ জাগানো এই ঘটনায় উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর এক বাস্তবতা—অপরাধ জগতের জীবনের স্বাদ পেতেই পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয় এই নির্মম হত্যাকাণ্ড।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সি এক সংবাদ সম্মলনে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেন।

এসময় তিনি বলেন, ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারই সমবয়সী ও কিশোর বন্ধুদের একটি দল। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে উঠে এসেছে অবিশ্বাস্য এক কারণ জেল খাটা কেমন,সেই কৌতূহল থেকেই তারা পরিকল্পিতভাবে এই নৃশংস অপরাধ সংঘটিত করে।

নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল পরে ২৩ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কোলনি এলাকা মিঠুমিয়ার পরিত্যাক্ত বাড়িতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে জানা যায়, ফতুল্লা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়মিত আড্ডা দেওয়া ও মাদক সেবনকারী কয়েকজন কিশোর তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে “খুন করলে জেলে যেতে হয়” আর সেই অভিজ্ঞতা নেওয়ার ইচ্ছা থেকেই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে টার্গেট করে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল তাদের আরও তিন বন্ধু রাহাত, হোসাইন ও ওমর। পরে সবাই মিলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পরিত্যক্ত ওই বাড়িতে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিকে হোসাইনের লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ কিশোরকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন এজাহারভুক্ত, তদন্তে আরও ২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরে মামলার এজাহারনামীয় ১ নাম্বার আসামী ইয়াসিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যায় ব্যাহৃত ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।এঘটনায় এখনও একজন পলাতক রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ জাতীয় ক্যাটাগরীর আরো খবর..