শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ৫টি সংসদীয় আসনের এমপিরা। সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদলের নেতা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার ৭ ফতুল্লায় মাদকসহ সাবেক এমপির গাড়িচালক রাজুকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী সিদ্ধিরগঞ্জে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিবিআটক মাদকে ছেঁয়ে গেছে আড়াইহাজার, নেপথ্যে বাকপ্রতিবন্ধী পরিচ্ছন্নতাকর্মী ববি বেগম হত্যা ও লুটের ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামি গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১।” সোনারগাঁয়ে ভয়াবহ ডাকাতির শিকার হয়েছেন পরিবারের সদস্যসহ জাপান প্রবাসী হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার স্বামীকে জবাই করে হত্যা ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছুড়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতির

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা #মেজর #জেনারেল জিয়াউল আহসান

নারায়ণগঞ্জ তালাশ ডেস্ক / ১২৭১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫, ০২:৫৩ অপরাহ্ন

  1. বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা #বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা
    #মেজর #জেনারেল জিয়াউল আহসান। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত #র‌্যাবের বিভিন্ন পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় নিজের টিম নিয়ে খুন করতেন তিনি। গুম করা ব্যক্তিকে #খুন করতে তিনি বলতেন-‘গলফ করো’।অর্থাৎ ওকে খুন করো।

#জিয়াউলআহসান এখন #কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগারের ধলেশ্বরী ভবনে ডিভিশনপ্রাপ্ত সেলে বন্দি আছেন। #টেলিফোনে জানতে চাইলে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার সায়েফ উদ্দিন নয়ন জানান, সুনির্দিষ্ট কী অপরাধে তিনি কারাগারে আছেন বলতে পারছি না। তবে তিনি ১৫টি মামলায় (ধারা ৩০২, ৩০৭, ১০৯, ৩২৬) বন্দি আছেন।

এ সম্পর্কে #অনুসন্ধান করতে গিয়ে জিয়াউল আহসানের নৃশংসতার অসংখ্য কাহিনি জানা গেছে। পলাতক শেখ হাসিনা এবং তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকের নির্দেশেই বেশি মানুষকে #গুম-খুন করেছেন জিয়াউল আহসান। তিনি হাসিনা ও তারিক সিদ্দিকের একান্ত অনুগত ও বিশ্বস্ত ছিলেন। তাদের নির্দেশে গুম করে আয়নাঘরে রাখতেন #ভিকটিমদের। সেখান থেকে বিভিন্ন কায়দায় খুন করে লাশ গুম করে দেওয়া হতো। জিয়াউল আহসান গুম হওয়া ব্যক্তিদের যমটুপি পরিয়ে মাইক্রোবাসে করে পোস্তগোলা ব্রিজ, কাঞ্চন ব্রিজ কিংবা #কাঁচপুর ব্রিজে নিয়ে গিয়ে গুলি করে #লাশ ফেলে দিতেন শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীতে। একদিনে একজনকে দিয়ে ১১টি এবং আরেকজনকে দিয়ে ১৩টি খুন করারও #রেকর্ড আছে। কখনো #মাইক্রোবাসেই ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলা হতো। এরপর লাশ রেললাইনের ওপর শুইয়ে দিতেন। ট্রেন এসে লাশ দ্বিখণ্ডিত, ত্রিখণ্ডিত করত।

২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সময়ে কমলাপুর থেকে টঙ্গি পর্যন্ত #ট্রেনে #কাটা যত অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশ পাওয়া যেত, তা সবই জিয়াউল আহসানের খুন করা। বেশিরভাগ খুন করা হয়েছে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে। একটি নির্দিষ্ট নৌকা ছিল। সেই নৌকায় করে যমটুপি পরা ব্যক্তিদের #মাঝনদীতে নিয়ে টুপি খুলতেন। চোখ বাঁধা অবস্থায়ই থাকত। মাথার একেবারে কাছে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করতেন। ফিনকি দিয়ে রক্ত ও মগজ এসে পড়ত জিয়াউল আহসানের হাতে। তখন তিনি উল্লাস করতেন। কখনো আবার দেখা যেত আগেই হত্যা করা লাশ নৌকায় তুলে নিচে ও উপরে সিমেন্টভর্তি বস্তার সঙ্গে বেঁধে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দিতেন, যাতে লাশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। হতভাগ্য বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর শেষ পরিণতিও ঘটে জিয়াউলের হাতে।

বিএনপির প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা সিলেট-২ আসনের সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালক আনসার আলীকে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে বনানীর রাস্তা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি পরিচয়ে অপহরণ করা হয়।

পরে ইলিয়াস আলীকে গুম করার পর হত্যা করে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে একটি ‘কিলিং স্কোয়াড’। হত্যার পর খুনিচক্র ইলিয়াস আলীর লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেয়। এই চাঞ্চল্যকর গুম ও হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন খোদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ জাতীয় ক্যাটাগরীর আরো খবর..